শনিবার, ০৪ Jul ২০২৬, ১২:২১ পূর্বাহ্ন
সংসদে চলচ্চিত্র শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট আইন ২০২১ পাস হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন শিল্পীরা। মঙ্গলবার দুপুরে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদকে রাজধানীর মিন্টো রোডে তার সরকারি বাসভবনে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতাপত্র হস্তান্তর করে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি।
চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর, সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান, টেলিভিশন নাট্য নির্দেশকদের সংগঠন ডিরেক্টরস গিল্ডের সভাপতি সালাহউদ্দীন লাভলু, সাধারণ সম্পাদক এসএমকিউ সাগর, অভিনয় শিল্পী সংঘের সভাপতি শহীদুজ্জামান সেলিম, সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব নাসিম এ আইন পাসের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
এসময় তথ্যমন্ত্রী বলেন, চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে সারা দেশে স্বল্প সুদে সিনেমা হল নির্মাণ ও সংস্কারে ১ হাজার কোটি টাকার তহবিল বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। গেলো শনিবার জাতীয় সংসদে আইনটি পাস হয়। সরকারকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে একটি গোষ্ঠী বিদেশে বসে দেশের বিরুদ্ধে গুজব রটানোর চেষ্টা করছে।
তিনি বলেন, ‘চলচ্চিত্র শিল্পীদের বহুদিনের দাবি ছিল, তাদের কল্যাণের জন্য একটি ট্রাস্ট গঠন করা। সেই ট্রাস্ট গঠন করার লক্ষ্যেই আজ চলচ্চিত্র কল্যাণ ট্রাস্ট আইন সংসদে উপস্থাপন করা হয়েছিল এবং সেটি পাস হয়েছে।’
‘বিএনপি, জাতীয় পার্টি, সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার সব আমলেই চলচ্চিত্রশিল্পীদের এই দাবি ছিল, কেউ তা পূরণ করেনি’ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, এই দাবি পূরণ করা হবে এবং সার্বিকভাবে শিল্পীদের কল্যাণের জন্যই এ আইন পাস হলো। ফলে শিল্পীদের জন্য কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করা সম্ভব হবে।’
টেলিভিশন অভিনয় অঙ্গনের কথা জানিয়ে ড. হাছান বলেন, ‘টেলিভিশনে যারা অভিনয় করেন, তাদের পক্ষ থেকেও দাবি দেয়া হয়েছিল, যেন তাদেরও এই আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সেই দাবি তারা তথ্য মন্ত্রণালয়ে দেয়ার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী বরাবরও দিয়েছিলেন। সেই পরিপ্রেক্ষিতে তারাও যেন এই ট্রাস্টের সুবিধা পায় সেটিও এই আইনে অন্তর্ভুক্ত করা আছে। টেলিফিল্মকেও সিনেমার সংজ্ঞার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’